কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৩:৪৬ PM

চ্যালেঞ্জ

কন্টেন্ট: পাতা

  • দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস উত্তোলনের ফলে কোম্পানির বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রের রিজার্ভয়ার প্রেসার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার ফলে গ্যাস উৎপাদন ক্রমাগতভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অপরদিকে, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে দেশীয় উৎস হতে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, কোম্পানির গ্যাস উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্নয়ন কূপ খনন, বিদ্যমান কূপসমূহের ওয়ার্কওভার, গ্যাস কম্প্রেসর ও প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপন এবং ২-ডি/৩-ডি সাইসমিক সার্ভে কার্যক্রম দ্রুততার সাথে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
  • জাতীয় গ্রিডের প্রেসারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোম্পানির উৎপাদিত গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিতাস, বাখরাবাদ ও নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্রে মোট ১৬টি কম্প্রেসর স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ‘ই’ ও ‘জি’ লোকেশনে আরও ৬টি ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এই কম্প্রেসরসমূহ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কোম্পানির নিজস্ব জনবল দ্বারা সম্পন্ন করা হচ্ছে। তবে, এ খাতে আরও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
  • রিজার্ভয়ার প্রেসার কমে যাওয়ার পাশাপাশি গ্যাসের সঙ্গে উৎপাদিত পানির পরিমাণও ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সকল গ্যাসক্ষেত্র ও লোকেশনে পর্যায়ক্রমে ইটিপি (ETP) স্থাপন করা হচ্ছে।
  • দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাস চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের খরচের পাশাপাশি অপারেশনাল ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোম্পানির বিভিন্ন ক্ষেত্র ও লোকেশনে স্থাপিত গ্যাস কম্প্রেসরসমূহের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, নতুন কম্প্রেসর স্থাপনের ব্যয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন খরচ এবং ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয় মেটানো ও ডিএসএল (DSL) পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করতে ওয়েলহেড গ্যাস মার্জিন বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি।
  • কোম্পানির গ্যাস বিক্রয়ের বিপরীতে প্রাপ্য হিসাব (Accounts Receivable) আদর্শ গড় ৩.৫ মাস থাকার কথা থাকলেও আলোচ্য অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড় ৭.০৯ মাসে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল গড় ৩.২২ মাস। তদুপরি, গড় ৩.০ মাসের সমপরিমাণ প্রদেয় মূসক রাখার বাধ্যবাধকতার কারণে কোম্পানিকে নিজস্ব তহবিল থেকে মূসক বাবদ অতিরিক্ত ২১৮.৪৯ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে গ্যাস বিক্রয়ের বিপরীতে নিয়মিত পাওনা আদায় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন